CC-04 Unit 1: Pedagogic Practice and Process of Learning

  • Concept of Pedagogy and Pedagogy across Curriculum – meaning, features, objectives
  • Critical understanding of the process of concept-formation
  • Constructivist approach in pedagogy across curriculum
  • Aspects of child-centric education and creation of non-intimidating environment for knowledge construction

1.1 Concept of Pedagogy and Pedagogy across Curriculum – meaning, features, objectives

Pedagogy-এর অর্থ ও ধারণা: [2 Mark D.EL.ED 2020-22]
Pedagogy শব্দটি প্রাচীন গ্রিক শব্দ ‘Paidagogia’ থেকে উদ্ভূত। ‘Paida’ অর্থ শিশু এবং ‘Gogia’ অর্থ পরিচালনা করা বা পথনির্দেশ করা। প্রাচীন গ্রিসে যে ব্যক্তি শিশুদের বিদ্যালয়ে নিয়ে যেত এবং তাদের দেখাশোনা ও পথনির্দেশ করত, তাকে Pedagogue বলা হতো। পরবর্তীকালে Pedagogy শব্দটির অর্থ ব্যাপকতর হয়। বর্তমানে Pedagogy বলতে শিক্ষণ-শিখনের তত্ত্ব ও ব্যবহারিক প্রয়োগের সমন্বিত প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অর্থাৎ শিক্ষার্থীকে কী শেখানো হবে, কেন শেখানো হবে, কীভাবে শেখানো হবে, কোন পদ্ধতি ও কৌশল ব্যবহার করা হবে এবং শিক্ষার্থীর শেখা কীভাবে নিশ্চিত করা যাবে; এই সমস্ত বিষয় Pedagogy-এর অন্তর্ভুক্ত। সহজভাবে বলা যায়, Pedagogy হলো শিক্ষার্থীর প্রয়োজন, সক্ষমতা ও শিক্ষার উদ্দেশ্য অনুযায়ী উপযুক্ত শিক্ষণ-পদ্ধতি, কৌশল ও পরিবেশ ব্যবহার করে কার্যকর শেখার ব্যবস্থা করা। Pedagogy কেবল বিষয়বস্তু উপস্থাপনের পদ্ধতি নয়; এটি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিষয়বস্তু, শিক্ষণ-পদ্ধতি, পরিবেশ ও শেখার ফলাফলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।

Pedagogy-এর ধারণার Flowchart:

Pedagogy

Teaching–Learning Theory

Learner’s Needs

Method & Teaching Strategy

Classroom Practice

Active Participation

Effective Learning

Learner Development

Pedagogy-এর বৈশিষ্ট্য (Features of Pedagogy): [2 Mark D.EL.ED 2016-18]

  1. তত্ত্ব ও ব্যবহারিক প্রয়োগের সমন্বয়: Pedagogy শিক্ষণের তাত্ত্বিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক প্রয়োগের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
  2. শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিকতা: Pedagogy-এর প্রধান গুরুত্ব শিক্ষার্থীর উপর। শিক্ষার্থীর বয়স, আগ্রহ, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজন বিবেচনা করে শিক্ষণ পরিচালিত হয়।
  3. জ্ঞান ও দক্ষতার সমন্বয়: শুধু জ্ঞান অর্জন নয়, শিক্ষার্থীর বিভিন্ন দক্ষতা ও সক্ষমতার বিকাশেও Pedagogy গুরুত্ব দেয়।
  4. উপযুক্ত শিক্ষণ-পদ্ধতির ব্যবহার: বিষয় ও শিক্ষার্থীর প্রয়োজন অনুযায়ী উপযুক্ত শিক্ষণ-পদ্ধতি ও কৌশল নির্বাচন করা Pedagogy-এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
  5. পরিকল্পিত শিক্ষণ: কার্যকর শিক্ষণের জন্য যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি প্রয়োজন। Pedagogy শিক্ষককে সঠিক পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে।
  6. সক্রিয় অংশগ্রহণ: শিক্ষার্থীকে নিষ্ক্রিয় শ্রোতা না রেখে আলোচনা, প্রশ্ন, কার্যকলাপ, পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।
  7. চিন্তন ক্ষমতার বিকাশ: Pedagogy শিক্ষার্থীর চিন্তন, যুক্তিবোধ, বিশ্লেষণ ও সৃজনশীলতার বিকাশে সহায়তা করে।
  8. ব্যক্তিগত পার্থক্যের প্রতি গুরুত্ব: প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মেধা, আগ্রহ, শেখার গতি ও পারিবারিক-সামাজিক পরিবেশ এক নয়। Pedagogy এই ব্যক্তিগত পার্থক্যকে গুরুত্ব দেয়।
  9. পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্ক: শিক্ষার্থীর বাস্তব জীবন ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে শিক্ষণ-শিখন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
  10. নমনীয়তা: Pedagogy কোনো একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীর প্রয়োজন অনুযায়ী পদ্ধতি ও কৌশল পরিবর্তন করা যায়।
  11. শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পারস্পরিক সম্পর্ক: Pedagogy শিক্ষাকে একমুখী প্রক্রিয়া হিসেবে না দেখে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতামূলক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করে।
  12. সামগ্রিক বিকাশ: Pedagogy-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর শুধু জ্ঞান নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক, আবেগীয়, সৃজনশীল ও ব্যবহারিক বিকাশ ঘটানোর চেষ্টা করা হয়।

Pedagogy Across Curriculum-এর অর্থ ও ধারণা:
Pedagogy Across Curriculum বলতে শিক্ষাবিজ্ঞানের নীতি, পদ্ধতি, কৌশল ও শিক্ষণ-শিখনের প্রক্রিয়াকে বিভিন্ন বিষয় ও পাঠ্যক্রমের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করাকে বোঝায়। অর্থাৎ Pedagogy কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় শেখানোর ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর প্রয়োজন ও বিষয়ের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন pedagogical approach ব্যবহার করা হয়। এখানে মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষণের মধ্যে কার্যকর শিক্ষণ-পদ্ধতি, সক্রিয় অংশগ্রহণ, চিন্তন, যোগাযোগ, সমস্যা সমাধান এবং দক্ষতা বিকাশের মতো সাধারণ pedagogical principles-এর প্রয়োগ ঘটানো। ভাষা শিক্ষায় আলোচনা, লেখা ও যোগাযোগ; গণিতে সমস্যা সমাধান ও যুক্তিবোধ; বিজ্ঞানে পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা ও অনুসন্ধান এবং সমাজবিজ্ঞানে আলোচনা, বিশ্লেষণ ও সমালোচনামূলক চিন্তনের মতো পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়। অতএব, বিভিন্ন বিষয় আলাদা হলেও তাদের শিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় pedagogical principles একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত।

Pedagogy Across Curriculum-এর Flowchart:

Pedagogy

Common Teaching Principles

Language + Mathematics + Science + Social Science

Communication + Problem Solving + Inquiry + Analysis

Active Participation

Thinking & Skills

Effective Learning

Holistic Development

Pedagogy Across Curriculum-এর বৈশিষ্ট্য (Features):

  1. বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে প্রয়োগযোগ্যতা: Pedagogy Across Curriculum কোনো একটি বিষয়ের জন্য সীমাবদ্ধ নয়; এটি বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষণ-শিখনে প্রয়োগ করা যায়।
  2. আন্তঃবিষয়ক সম্পর্ক: বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে শিক্ষার্থীর কাছে শেখাকে আরও অর্থবহ ও বাস্তবভিত্তিক করে তোলে।
  3. শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিকতা: প্রতিটি বিষয়ের শিক্ষণেই শিক্ষার্থীর প্রয়োজন, আগ্রহ, সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা গুরুত্ব পায়।
  4. সক্রিয় শিক্ষণ: শিক্ষার্থীদের শুধু তথ্য গ্রহণকারী না করে কাজ, আলোচনা, অনুসন্ধান, সমস্যা সমাধান ও সহযোগিতার মাধ্যমে শেখানো হয়।
  5. বিষয় অনুযায়ী পদ্ধতির পরিবর্তন: সব বিষয়কে একই পদ্ধতিতে শেখানো হয় না। বিষয়ের প্রকৃতি অনুযায়ী উপযুক্ত pedagogical strategy নির্বাচন করা হয়।
  6. বাস্তব জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক: বিভিন্ন বিষয়ের জ্ঞানকে শিক্ষার্থীর দৈনন্দিন জীবন ও বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
  7. চিন্তন ও সৃজনশীলতার বিকাশ: বিভিন্ন বিষয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর যুক্তিবোধ, সমালোচনামূলক চিন্তা ও সৃজনশীলতা বিকশিত হয়।
  8. সমন্বিত শিক্ষণ: বিভিন্ন বিষয়ের জ্ঞান ও দক্ষতাকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে সমন্বিত শিক্ষণ গড়ে তোলা হয়।

Pedagogy-এর উদ্দেশ্য (Objectives of Pedagogy):

  1. কার্যকর শিক্ষণ-শিখন: শিক্ষণ-শিখন প্রক্রিয়াকে কার্যকর ও অর্থবহ করা।
  2. শিক্ষার্থীর প্রয়োজন পূরণ: শিক্ষার্থীর প্রয়োজন ও সক্ষমতা অনুযায়ী শিক্ষণ পরিচালনা করা।
  3. উপযুক্ত পদ্ধতি নির্বাচন: উপযুক্ত শিক্ষণ-পদ্ধতি ও কৌশল নির্বাচন করতে সাহায্য করা।
  4. প্রেরণা বৃদ্ধি: শিক্ষার্থীর প্রেরণা ও আগ্রহ বৃদ্ধি করা।
  5. সক্রিয় অংশগ্রহণ: শিক্ষার্থীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
  6. চিন্তন ও সৃজনশীলতার বিকাশ: শিক্ষার্থীর চিন্তন, যুক্তিবোধ ও সৃজনশীলতা বিকাশ করা।
  7. ব্যক্তিগত পার্থক্যের প্রতি গুরুত্ব: শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত পার্থক্য বিবেচনা করে শিক্ষণ পরিচালনা করা।
  8. তত্ত্ব ও প্রয়োগের সম্পর্ক: তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে ব্যবহারিক জ্ঞানের সম্পর্ক স্থাপন করা।
  9. দক্ষতা ও আচরণ গঠন: শিক্ষার্থীর মধ্যে উপযুক্ত আচরণ ও দক্ষতা গড়ে তোলা।
  10. সামগ্রিক বিকাশ: শিক্ষার্থীর সামগ্রিক বিকাশ ঘটানো।

Pedagogy Across Curriculum-এর উদ্দেশ্য (Objectives):

  1. Pedagogical principles-এর প্রয়োগ: বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষণে কার্যকর pedagogical principles প্রয়োগ করা।
  2. বিষয়গুলির মধ্যে সমন্বয়: বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক ও সমন্বয় তৈরি করা।
  3. অর্থবহ শিক্ষণ: শিক্ষার্থীর শেখাকে অর্থবহ, সক্রিয় ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক করা।
  4. সাধারণ দক্ষতার বিকাশ: বিষয়ভিত্তিক শিক্ষণের পাশাপাশি যোগাযোগ, সমস্যা সমাধান, চিন্তন ও সহযোগিতার মতো সাধারণ দক্ষতা বিকাশ করা।
  5. সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বৃদ্ধি: শিক্ষার্থীর সমস্যা সমাধান ও যুক্তিবোধ বৃদ্ধি করা।
  6. সহযোগিতামূলক শিক্ষণ: যোগাযোগ ও সহযোগিতামূলক শিক্ষণকে উৎসাহিত করা।
  7. বাস্তব জীবনের সঙ্গে সংযোগ: বিভিন্ন বিষয়ের জ্ঞানকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত করা।
  8. সমালোচনামূলক চিন্তনের বিকাশ: শিক্ষার্থীর সমালোচনামূলক চিন্তন ও সৃজনশীলতা বিকাশ করা।
  9. ব্যক্তিগত পার্থক্যের স্বীকৃতি: বিভিন্ন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত প্রয়োজন ও পার্থক্য অনুযায়ী শিক্ষণ পরিচালনা করা।
  10. সামগ্রিক ও সমন্বিত বিকাশ: বিভিন্ন বিষয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সামগ্রিক ও সমন্বিত বিকাশ নিশ্চিত করা।

Pedagogy Across Curriculum-এর প্রয়োজনীয়তা 14 MARK QUESTION WB D.EL.ED 2018-20 PART 2

সংক্ষিপ্ত Flowchart:

Pedagogy

Theory + Practice of Teaching-Learning

Learner-centred + Active + Flexible + Planned Learning

Effective Learning

Pedagogy Across Curriculum

Application across Different Subjects

Integration + Active Learning + Critical Thinking

Holistic Development

1.2 Critical understanding of the process of concept-formation

ধারণা গঠনের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করুন। 7 MARK WB D.EL.ED PART 2 2014-16

Bruner’s Concept Attainment Model

Jerome Bruner-এর Concept Attainment Model হলো একটি inductive teaching model, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন relevant (positive) এবং irrelevant (negative) উদাহরণ পর্যবেক্ষণ, তুলনা ও বিশ্লেষণ করে একটি নির্দিষ্ট concept-এর নাম, বৈশিষ্ট্য ও নিয়ম নিজেরাই নির্ণয় করতে শেখে। Bruner-এর A Study of Thinking (1956) গ্রন্থের সঙ্গে এই মডেলের ধারণাটি বিশেষভাবে যুক্ত। এই মডেলে শিক্ষক সরাসরি concept বলে না দিয়ে শিক্ষার্থীদের চিন্তা ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে concept অর্জনে সহায়তা করেন।

Concept-এর অর্থ:
Concept হলো একই ধরনের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন বস্তু, ঘটনা বা ধারণার একটি মানসিক শ্রেণিবিন্যাস বা representation। যেমন- ‘আবহাওয়া’ একটি concept; কারণ নির্দিষ্ট স্থান ও সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা, তাপমাত্রা, মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ইত্যাদি এর সঙ্গে সম্পর্কিত।

Concept Attainment Model-এর মূল উদ্দেশ্য:

  1. নতুন concept অর্জনে সাহায্য করা।
  2. পূর্বপরিচিত concept-কে আরও স্পষ্ট ও সমৃদ্ধ করা।
  3. শিক্ষার্থীর thinking strategy সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা।
  4. Conceptual activity-এর প্রকৃতি বোঝাতে সাহায্য করা।
  5. আনন্দদায়ক ও আকর্ষণীয়ভাবে শেখার সুযোগ সৃষ্টি করা।
  6. শিক্ষার্থীদের নতুন উদাহরণ তৈরি করতে সক্ষম করা।
  7. Critical thinking ও reasoning skill বিকাশ করা।

Bruner-এর মতে Concept-এর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:

  1. Name (নাম):
    কোনো category বা concept-কে দেওয়া নির্দিষ্ট শব্দ বা নাম।
    উদাহরণ: Weather বা আবহাওয়া।
  2. Attributes (বৈশিষ্ট্য):
    যে বৈশিষ্ট্যগুলির ভিত্তিতে কোনো বস্তু বা ঘটনা একটি নির্দিষ্ট concept-এর অন্তর্ভুক্ত হয়।
    উদাহরণ: নির্দিষ্ট স্থান ও সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা, তাপমাত্রা, মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ইত্যাদি।
  3. Examples (উদাহরণ):
    Concept-এর অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন বাস্তব উদাহরণ।
    উদাহরণ: Rainy, Sunny, Cloudy, Winter, Summer ইত্যাদি।
  4. Attribute Value (বৈশিষ্ট্যের মান):
    কোনো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য উপস্থিত বা অনুপস্থিত থাকা। অর্থাৎ relevant/positive example এবং irrelevant/negative example-এর পার্থক্য বোঝা।
  5. Rule (নিয়ম):
    কোন কোন essential attribute-এর ভিত্তিতে কোনো উদাহরণ concept-এর অন্তর্ভুক্ত হবে, সেই নির্দিষ্ট নিয়ম।

Concept Attainment Model-এর প্রধান Elements:

Concept Attainment Model
          ↓
       Focus
          ↓
       Syntax
          ↓
    Social System
          ↓
 Principle of Reaction
          ↓
     Support System
          ↓
 Application / Utility

1. Focus:
এই মডেলের মূল focus হলো শিক্ষার্থীদের concept গঠন এবং তথ্যকে কার্যকরভাবে সংগঠিত করতে সাহায্য করা। পাশাপাশি inductive reasoning ও চিন্তন ক্ষমতার বিকাশ ঘটানো।

2. Syntax:
Syntax হলো Model-এর ধাপ বা instructional sequence। Concept Attainment Model-এর প্রধান তিনটি phase রয়েছে।

Phase I – Presentation of Data and Identification of Concept:
শিক্ষক concept-এর relevant এবং irrelevant example শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন করেন। শিক্ষার্থীরা উদাহরণগুলি পর্যবেক্ষণ ও তুলনা করে তাদের common attributes খুঁজে বের করার চেষ্টা করে।

Phase II – Test of Attainment of Concept:
শিক্ষার্থীদের ধারণাটি তারা সঠিকভাবে অর্জন করেছে কি না তা যাচাই করা হয়। নতুন উদাহরণ দিয়ে তাদের বলতে বলা হয় কোনটি concept-এর অন্তর্ভুক্ত এবং কেন। তারা concept-এর নাম, definition বা relevant attributes বলতে পারে এবং নতুন example দিতে পারে।

Phase III – Analysis of Thinking Process:
এই পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা কীভাবে concept-টি শনাক্ত করল, কোন বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করল এবং কীভাবে সিদ্ধান্তে পৌঁছাল তা ব্যাখ্যা করে। এর মাধ্যমে নিজের thinking process সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হয়।

3. Social System:
এই মডেলে শিক্ষক শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম পরিচালনা করেন, কিন্তু শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে চিন্তা, আলোচনা ও মতামত প্রকাশের সুযোগ দেন। শিক্ষক প্রশ্ন করেন, উদাহরণ দেন এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে উৎসাহিত করেন। ফলে শ্রেণিকক্ষে একটি interactive and participatory learning environment তৈরি হয়।

4. Principle of Reaction:
শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উত্তর সরাসরি বলে না দিয়ে তাদের চিন্তা, যুক্তি ও অনুসন্ধানকে উৎসাহিত করেন। শিক্ষক guide, motivator এবং facilitator হিসেবে কাজ করেন। শিক্ষার্থীদের আলোচনা, তুলনা ও নিজেদের thinking evaluate করার সুযোগ দেওয়া হয়।

5. Support System:
উপযুক্ত examples ও non-examples, ছবি, chart, model, real objects এবং অন্যান্য teaching aids ব্যবহার করা হয়। উদাহরণগুলি এমনভাবে সাজাতে হয় যাতে শিক্ষার্থীরা relevant ও irrelevant attributes-এর পার্থক্য বুঝতে পারে। একটি free atmosphere তৈরি করতে হয় যাতে শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। Text বা examples এমন ধারাবাহিক ক্রমে উপস্থাপন করা উচিত যাতে concept স্পষ্ট হয়।

6. Application or Utility:

  • নতুন concept সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভের কার্যকর পদ্ধতি।
  • বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়।
  • উপযুক্ত concept-building strategy ব্যবহারের দক্ষতা তৈরি করে।
  • inductive reasoning skill বিকাশ করে।
  • শিক্ষার্থীর imagination ও observation power বৃদ্ধি করে।
  • বিভিন্ন বিষয়কে আকর্ষণীয়ভাবে শেখাতে সাহায্য করে।
  • critical thinking ও reasoning skill উন্নত করে।
  • Concept-এর বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ ও শ্রেণিবিন্যাসের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • এটি একটি কার্যকর formative assessment strategy হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

Concept Attainment Model-এর সুবিধা:

  1. শিক্ষার্থী সক্রিয়ভাবে শেখে।
  2. Critical thinking বিকাশ করে।
  3. Inductive reasoning-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  4. Observation ও comparison skill উন্নত করে।
  5. শিক্ষার্থীর imagination ও creativity বৃদ্ধি করে।
  6. শিক্ষার্থীদের নতুন example তৈরি করতে শেখায়।
  7. Concept-এর essential attributes শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
  8. বিভিন্ন বিষয়ের abstract concept সহজে শেখানো যায়।
  9. শিক্ষণকে আকর্ষণীয় ও আনন্দদায়ক করে।
  10. শিক্ষার্থীদের নিজের thinking process সম্পর্কে সচেতন করে।

Concept Attainment Model-এর সীমাবদ্ধতা:

  1. শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণ ও চিন্তা করার জন্য বেশি সময় প্রয়োজন হতে পারে।
  2. সব concept example ও non-example-এর মাধ্যমে সহজে শেখানো যায় না।
  3. কিছু শিক্ষার্থী inductive strategy-তে আগ্রহী নাও হতে পারে।
  4. খুব বড় শ্রেণিকক্ষে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।
  5. ভুল example নির্বাচন করলে শিক্ষার্থীর মধ্যে ভুল concept তৈরি হতে পারে।

ধারণা গঠনের ধাপ (Steps of Concept Formation):

  • ১. পর্যবেক্ষণ (Observation): শিক্ষার্থী বিভিন্ন বস্তু, ঘটনা বা অভিজ্ঞতা পর্যবেক্ষণ করে এবং তাদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে।
  • ২. পরিচিতকরণ (Identification): পর্যবেক্ষণ করা বস্তু বা ঘটনাগুলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করা হয়।
  • ৩. তুলনা (Comparison): বিভিন্ন উদাহরণের মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য খুঁজে বের করা হয়।
  • ৪. শ্রেণিবিন্যাস (Classification): সাদৃশ্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বস্তু বা ঘটনাগুলিকে বিভিন্ন শ্রেণিতে সাজানো হয়।
  • ৫. সাধারণীকরণ (Generalization): বিভিন্ন উদাহরণের সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলিকে একত্র করে একটি সাধারণ ধারণা তৈরি করা হয়।
  • ৬. ধারণা গঠন (Concept Formation): সাধারণ বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীর মনে একটি সুস্পষ্ট ও অর্থপূর্ণ ধারণা গড়ে ওঠে।
  • ৭. প্রয়োগ ও যাচাই (Application and Verification): নতুন বা অপরিচিত উদাহরণে ধারণাটি প্রয়োগ করে দেখা হয় যে ধারণাটি সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে কি না।

উপসংহার:
Bruner-এর Concept Attainment Model একটি গুরুত্বপূর্ণ inductive teaching strategy, যেখানে শিক্ষার্থী positive ও negative examples বিশ্লেষণ করে concept-এর essential attributes শনাক্ত করে এবং নিজেরাই concept অর্জন করে। শিক্ষক এখানে সরাসরি জ্ঞানদাতা না হয়ে guide, motivator ও facilitator হিসেবে কাজ করেন। এই মডেলের মাধ্যমে observation, comparison, classification, inductive reasoning, critical thinking ও problem-solving-এর মতো দক্ষতা বিকাশ করা যায়। তাই Pedagogy Across Curriculum-এ বিভিন্ন বিষয়ের concept সহজ, সক্রিয় ও অর্থবহভাবে শেখানোর জন্য Concept Attainment Model অত্যন্ত কার্যকর।

1.3 Constructivist approach in pedagogy across curriculum

নির্মিতিবাদ শিখন বিজ্ঞানের উপর টীকা লিখুন। 7 Mark WB D.El.ED 2014-16

Constructivism বা গঠনবাদ হলো একটি শিক্ষাদর্শন ও শিক্ষণ-শিখন তত্ত্ব, যেখানে শিক্ষার্থীকে জ্ঞানের নিষ্ক্রিয় গ্রহীতা হিসেবে নয়, বরং নিজের পূর্বজ্ঞান, অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ, অনুসন্ধান, চিন্তা ও সামাজিক মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে জ্ঞান নির্মাণকারী সক্রিয় ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী শিক্ষক সরাসরি সমস্ত জ্ঞান প্রদান করেন না; বরং এমন শিক্ষণ-পরিবেশ তৈরি করেন যেখানে শিক্ষার্থী নিজে প্রশ্ন করে, অনুসন্ধান করে, সমস্যা সমাধান করে এবং নতুন জ্ঞানকে পূর্বজ্ঞান-এর সঙ্গে যুক্ত করে। [2 Mark PYQ WB D.EL.ED 2017-19]

Constructivist Approach-এর অর্থ:
Constructivist Approach বা গঠনবাদী পদ্ধতি হলো এমন একটি শিক্ষণ-পদ্ধতি যেখানে শিক্ষার্থীকে জ্ঞানের নিষ্ক্রিয় গ্রহীতা হিসেবে বিবেচনা না করে নিজের অভিজ্ঞতা, পূর্বজ্ঞান, চিন্তা, পর্যবেক্ষণ, অনুসন্ধান ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে জ্ঞান নির্মাণকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী জ্ঞান শিক্ষক সরাসরি শিক্ষার্থীর মনে স্থানান্তর করেন না; বরং শিক্ষার্থী নতুন অভিজ্ঞতাকে পূর্বজ্ঞান ও পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করে নিজের জ্ঞান গড়ে তোলে।

Constructivism-এর প্রধান ভিত্তি হলো: Learning is an active process of knowledge construction. তাই শিক্ষণ-শিখন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীর সক্রিয় অংশগ্রহণ, পূর্বজ্ঞান, অভিজ্ঞতা, সমস্যা সমাধান, আলোচনা ও অনুসন্ধানের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

Constructivist Approach-এর মূল ধারণার Flowchart:

পূর্বজ্ঞান ও অভিজ্ঞতা

নতুন অভিজ্ঞতা / সমস্যা

পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধান

চিন্তা ও আলোচনা

পূর্বজ্ঞান + নতুন জ্ঞানের সমন্বয়

জ্ঞান নির্মাণ

প্রয়োগ ও পুনর্গঠন

অর্থবহ শিক্ষা

Constructivist Approach-এর বৈশিষ্ট্য:

  1. শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিকতা: শিক্ষার্থী Constructivist classroom-এর কেন্দ্রে থাকে এবং শেখার প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
  2. জ্ঞান নির্মাণ: শিক্ষার্থী শিক্ষক প্রদত্ত তথ্য শুধু মুখস্থ করে না; নিজের অভিজ্ঞতা ও চিন্তার মাধ্যমে জ্ঞান নির্মাণ করে।
  3. পূর্বজ্ঞানকে গুরুত্ব: নতুন জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর পূর্বজ্ঞান ও পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
  4. সক্রিয় অংশগ্রহণ: প্রশ্ন করা, আলোচনা, পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা, অনুসন্ধান, সমস্যা সমাধান ও বিভিন্ন কার্যকলাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে শেখে।
  5. অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা: বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা ও কার্যকলাপকে শিক্ষণ-শিখনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
  6. সমস্যা সমাধান: শিক্ষার্থীদের বাস্তব বা শিক্ষণসংক্রান্ত সমস্যা দেওয়া হয় এবং তারা নিজের চিন্তা ও যুক্তির মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করে।
  7. সহযোগিতামূলক শিক্ষা: শিক্ষার্থীরা দলগত কাজ, আলোচনা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একে অপরের কাছ থেকে শেখে।
  8. শিক্ষকের পরিবর্তিত ভূমিকা: শিক্ষক এখানে শুধুমাত্র বক্তা বা তথ্যদাতা নন; তিনি facilitator, guide এবং সহায়কের ভূমিকা পালন করেন।
  9. চিন্তন ও প্রতিফলন: শিক্ষার্থীদের শেখা বিষয় নিয়ে চিন্তা, প্রশ্ন ও নিজের ধারণা পুনর্বিবেচনার সুযোগ দেওয়া হয়।
  10. ভুলকে শেখার অংশ হিসেবে গ্রহণ: শিক্ষার্থীর ভুলকে শুধুমাত্র ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে তা থেকে শেখার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
  11. বাস্তব জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক: পাঠ্য বিষয়কে শিক্ষার্থীর দৈনন্দিন জীবন ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
  12. অর্থবহ শিক্ষা: মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে শিক্ষার্থীর কাছে জ্ঞানকে অর্থবহ ও প্রাসঙ্গিক করে তোলা হয়।

Pedagogy Across Curriculum-এ Constructivist Approach-এর প্রয়োগ:

Constructivist Approach বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষণ-শিখনে প্রয়োগ করা যায়। এটি কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের জন্য সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন বিষয়ের প্রকৃতি অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের সক্রিয়ভাবে জ্ঞান নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হয়।

বাংলা ও ভাষা শিক্ষায়: শিক্ষার্থীদের গল্প, কবিতা বা পাঠের বিষয় নিয়ে আলোচনা, মতামত প্রকাশ, সৃজনশীল লেখা ও নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে বিষয়ের সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ দেওয়া যায়।

গণিত শিক্ষায়: সরাসরি সূত্র মুখস্থ করানোর পরিবর্তে বাস্তব সমস্যা, pattern, measurement, গণনামূলক কাজ ও বিভিন্ন উদাহরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিজেরাই mathematical concept আবিষ্কার করতে সাহায্য করা যায়।

বিজ্ঞান শিক্ষায়: পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, hypothesis তৈরি, প্রশ্ন করা ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বৈজ্ঞানিক ধারণা নিজেরাই নির্মাণ করতে পারে।

সমাজবিজ্ঞান শিক্ষায়: সামাজিক সমস্যা, স্থানীয় ঘটনা, ঐতিহাসিক তথ্য ও বাস্তব অভিজ্ঞতার উপর আলোচনা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও ঐতিহাসিক ধারণা গড়ে তুলতে সাহায্য করা যায়।

1.4 Aspects of child-centric education and creation of non-intimidating environment for knowledge construction

Aspects of child-centric education and creation of non-intimidating environment for knowledge construction

  • শিশু-কেন্দ্রিক শিক্ষার চারটে বৈশিষ্ট্য লিখুন 7 MARK WB D.ELED 2018-20 PART 2
  • পাঠক্রমের শিখন বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য গুলি কি? শিক্ষার্থীর জন্য বাধা মুক্ত এবং আনন্দপুর শিখন পরিবেশ রচনার উপায় আলোচনা করুন। 7 MARK WB D.EL.ED 2020-20 PART 2

Scroll to Top