Sarva Shiksha Abhiyan – SSA 2000, 2001 & 2002

The Sarva Shiksha Abhiyan (SSA) is not the National Policy on Education itself, but rather a major government program that works to implement the goals of the policy, particularly the goal of Universal Elementary Education.

তৎকালীন যুগে অনুমান করে দেখা গিয়েছিল যে ৬টি কোটি শিশুর মধ্যে ৩ কোটি শিশু স্কুলে পা দেয়নি। সেই উদ্দেশ্যে সমস্ত শিশুদের বিদ্যালয়ের আওতায় এনে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করা হয়। এক সমীক্ষায় দেখা যায় যে ২০০১ থেকে ১০ শিক্ষাবর্ষে বিদ্যালয়ের শিশুর সংখ্যা হয় ১৮.৭৯ কোটি এবং ২০১৫-১৬ তে দেখা যায় এই সংখ্যা ১৯.৬৭ কোটিতে।

এটি একটি ভবিষ্যতমুখী প্রকল্প। এই প্রকল্পের আসল উদ্দেশ্য হলো ২০১০ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা এবং ২০১০ সালের মধ্যে ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রত্যেকটি শিশুর নিম্ন প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ২০১০ সালের মধ্যে প্রতিটি শিশুকে সম্পূর্ণ প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করতে হবে।

প্রেক্ষাপট (Context)

1986-এর National Policy on Education (NPE) ও 1992-এর Program of Action-এর পর প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নের প্রয়োজন।

YearMain FocusKey FeaturesSignificance
2000Launch of SSAInfrastructure, teacher recruitment, enrollment, focus on marginalized childrenFirst national-level elementary education program
2001Quality & Community ParticipationSchool Management Committees (SMCs), monitoring & evaluation, retention improvementShift from access to quality & participation
2002Integration & Holistic ApproachMid-day meals and para teacher recruitment (WB-2013), out-of-school children, inclusive education, learning outcomes. WB is the 3rd state among India in 2013.Comprehensive focus: access + equity + quality + retention

Some Important Answer cum Question

  • সবুজ কার্ড বলতে সর্বশিক্ষা অভিযান কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ে না যাওয়া বা স্কুলছুট ছেলে-মেয়েদের শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত বিশেষ পরিচয় কার্ডকে বোঝায়।
  • মহিলা মণ্ডল বলতে গ্রামীণ বা স্থানীয় পর্যায়ে মহিলাদের নিয়ে গঠিত এমন একটি সংগঠনকে বোঝায়, যার মূল উদ্দেশ্য হলো মহিলাদের শিক্ষিত, সচেতন ও স্বনির্ভর করে তোলা।
  • 3Rs হল পঠন (Reading), লিখন (Writing) এবং গণিত (Arithmetic)।
  • 7Rs হল পঠন (Reading), লিখন (Writing), সরল গণিত (Simple Arithmetic), সম্পর্ক (Relation), বিনোদন (Recreation), দায়িত্ববোধ (Responsibility) এবং অধিকার (Right)।

সর্বশিক্ষা অভিযান (SSA) সম্পর্কিত ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

Q1. প্রাথমিক শিক্ষা বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: প্রাথমিক শিক্ষা বলতে শিশুর জন্ম থেকে প্রায় ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত সময়ে যে পরিকল্পিত শিক্ষা ও শেখার অভিজ্ঞতা প্রদান করা হয়, তাকে বোঝায়। এই শিক্ষার মাধ্যমে শিশুর শারীরিক, মানসিক, ভাষাগত, সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশ ঘটে। এই স্তরে শিশুরা মূলত খেলা, গল্প, গান, ছড়া, ছবি ও বিভিন্ন সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে শিক্ষা লাভ করে। এর মাধ্যমে তাদের আত্মবিশ্বাস, সহযোগিতা, নৈতিকতা ও চিন্তা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং ভবিষ্যৎ বিদ্যালয় জীবনের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করে। আঙ্গনওয়াড়ি, প্রি-প্রাইমারি, নার্সারি, কেজি-ওয়ান সহ সব স্তরের শিক্ষাই প্রাথমিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত।

সংক্ষেপে বলা যায়: প্রাথমিক শিক্ষা হলো শিশুর জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ধাপ।

Q2. সর্বশিক্ষা অভিযানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আলোচনা কর।

উত্তর: সর্বশিক্ষা অভিযান (SSA)-এর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো: প্রাথমিক শিক্ষার সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। এই অভিযানের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি শিশু, বিশেষ করে ৬–১৪ বছর বয়সী শিশুদের, বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। দরিদ্রপীড়িত, প্রান্তিক, তপশিলি জাতি ও উপজাতি, সংখ্যালঘু এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।

সর্বশিক্ষা অভিযানের ফলে:

  • নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন হয়েছে
  • শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা হয়েছে
  • মিড-ডে মিল, বই, ইউনিফর্ম ইত্যাদির মাধ্যমে স্কুলে শিশুদের উপস্থিতি বেড়েছে
  • ঝরে পড়া (dropout) কমেছে

অতএব বলা যায়: প্রাথমিক শিক্ষাকে সবার কাছে পৌঁছে দিয়ে শিক্ষার ভিত মজবুত করাই সর্বশিক্ষা অভিযানের অন্যতম প্রধান ভূমিকা।

Q3. সর্বশিক্ষা অভিযান অনুসারে কত থেকে কত বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে?

উত্তর: সর্বশিক্ষা অভিযান (SSA) অনুসারে ৬ বছর থেকে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। এই বয়সসীমার মধ্যে প্রাথমিক (Class I-V) ও উচ্চ প্রাথমিক (Class VI-VIII) স্তরের শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ, ৬–১৪ বছর বয়সী সকল শিশুর জন্য বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা নিশ্চিত করাই সর্বশিক্ষা অভিযানের মূল লক্ষ্য।

Q4. সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর শিশুদের শিক্ষা দেওয়া কেন প্রয়োজন? (সর্বশিক্ষা অভিযান অনুযায়ী)

উত্তর: সর্বশিক্ষা অভিযান (SSA) অনুযায়ী সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর শিশুদের শিক্ষা দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, কারণ শিক্ষা সামাজিক বৈষম্য দূর করার সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।

SSA মনে করে:

  • সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর শিশুদের শিক্ষার সুযোগ না পেলে তারা পুনরায় সমাজ থেকে আরও পিছিয়ে পড়বে।
  • শিক্ষা তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, সচেতনতা ও দক্ষতা গড়ে তোলে।
  • শিক্ষার মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতে স্বনির্ভর নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
  • নারী শিশু, তপশিলি জাতি ও উপজাতি, সংখ্যালঘু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষিত না করলে সর্বজনীন শিক্ষা লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়।

অতএব বলা যায়, সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর শিশুদের শিক্ষা দেওয়া সামাজিক ন্যায়, সমতা ও দেশের সার্বিক উন্নতির জন্য অপরিহার্য—এটাই সর্বশিক্ষা অভিযানের মূল ভাবনা।

Q5. SSA অনুযায়ী মহিলাদের শিক্ষার উপর জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে কেন?

উত্তর: সর্বশিক্ষা অভিযান (SSA) অনুযায়ী মহিলাদের শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, কারণ নারী শিক্ষা সমাজ ও জাতির সার্বিক উন্নতির মূল চাবিকাঠি।

SSA-এর মতে:

  • শিক্ষিত মহিলা হলে পরিবারে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির মান উন্নত হয়।
  • নারী শিক্ষার অভাবে সমাজে লিঙ্গ বৈষম্য, বাল্যবিবাহ ও কুসংস্কার বৃদ্ধি পায়।
  • শিক্ষিত নারী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিক্ষিত ও সচেতন করে তুলতে পারে।
  • সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার বাইরে রাখলে সর্বজনীন শিক্ষা অর্জন অসম্ভব।

তাই SSA মনে করে, মহিলাদের শিক্ষিত করা মানেই একটি পরিবার, একটি সমাজ এবং শেষ পর্যন্ত পুরো দেশকে শিক্ষিত করা।

Q6. সর্বশিক্ষা অভিযান বা মিশন অনুযায়ী কত সালের মধ্যে প্রত্যেক শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে?

উত্তর: সর্বশিক্ষা অভিযান (SSA) বা সর্বশিক্ষা মিশন অনুযায়ী ২০১০ সালের মধ্যে প্রত্যেক শিশুর প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক (৬-১৪ বছর) স্তরের শিক্ষা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল:

  • সকল শিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করা
  • প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বজনীনতা আনা
  • ঝরে পড়া কমিয়ে শিক্ষাকে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া

অতএব বলা যায়, SSA অনুযায়ী ২০১০ সালের মধ্যেই প্রত্যেক শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল।

Scroll to Top