Teaching as a Profession: Professional Ethics for Teachers

Rate this post

WHAT IS TEACHING

Teaching (শিক্ষাদান) হলো এমন একটি সচেতন, পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপূর্ণ প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীর মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও আচরণগত পরিবর্তন ঘটাতে সাহায্য করেন। শিক্ষাদান কেবল তথ্য প্রদান নয়; এটি হলো শিক্ষার্থীর ভেতরের সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তোলা, চিন্তা-ক্ষমতা উন্নত করা এবং তাকে জীবনের জন্য প্রস্তুত করা।

শিক্ষাদানকে সহজ কথায় বলা যায়: 👉 “শেখানো নয়, শেখার ব্যবস্থা করা”
কারণ আজকের আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীকে শুধু মুখস্থ করিয়ে তোলাই লক্ষ্য নয়; বরং তাকে বুঝিয়ে শেখানো, চিন্তা করতে শেখানো, সমস্যা সমাধান শেখানো—এসবই শিক্ষাদানের অন্তর্ভুক্ত।

শিক্ষাদানের মূল বৈশিষ্ট্য

  1. পরিকল্পিত প্রক্রিয়া (Planned Process): শিক্ষক পাঠ পরিকল্পনা (Lesson Plan) তৈরি করেন।
  2. উদ্দেশ্যভিত্তিক (Goal Oriented): নির্দিষ্ট শিক্ষালক্ষ্য (Learning Outcomes) থাকে।
  3. দুইমুখী যোগাযোগ (Interactive): শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
  4. শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক (Learner-centred): শিক্ষার্থীর আগ্রহ, ক্ষমতা, চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা।
  5. মূল্যবোধ গঠনকারী (Value based): নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা তৈরি করা।

শিক্ষাদান বনাম শেখা (Teaching vs Learning)

শিক্ষাদান হলো শিক্ষকের ভূমিকা—কীভাবে তিনি শিখতে সাহায্য করবেন। আর শেখা হলো শিক্ষার্থীর অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া—সে কীভাবে গ্রহণ ও প্রয়োগ করবে। তাই একজন দক্ষ শিক্ষক সেই ব্যক্তি, যিনি ছাত্রকে শিখতে শেখান

আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী শিক্ষাদান

আজ শিক্ষাদানকে ধরা হয়: Facilitation of Learning
অর্থাৎ শিক্ষক হলেন Facilitator, Guide, Motivator, Counsellor এবং Evaluator

উদাহরণ: একজন শিক্ষক যদি শুধু বোর্ডে লিখে ব্যাখ্যা করেন—এটা একমুখী শিক্ষা। কিন্তু যদি তিনি প্রশ্ন করেন, গ্রুপ কাজ করান, খেলাধুলা বা কার্যকলাপ করান—তাহলে শিক্ষার্থী সক্রিয়ভাবে শেখে। এটিই শিক্ষাদানের প্রকৃত রূপ

Important Point

  • শিক্ষাদান তথ্য নয়, “জীবন গঠন” (Teaching is not information transfer; it is life-shaping)
  • শিক্ষকের কাজ শেখানো নয়, শিখতে সাহায্য করা (A teacher’s role is to facilitate learning)
  • শিক্ষাদান লক্ষ্যভিত্তিক ও পরিকল্পিত প্রক্রিয়া (Teaching is a planned, goal-oriented process)

The Importance of Teaching

শিক্ষাদানের গুরুত্ব এতটাই ব্যাপক যে, বলা হয়:
👉 “If you want to build a nation, build teachers.”
কারণ শিক্ষক হলেন জাতি গঠনের স্থপতি। সমাজের প্রতিটি পেশার মানুষ প্রথমে একজন শিক্ষকের হাত ধরেই এগিয়ে যায়। একজন শিক্ষকের প্রভাব শিক্ষার্থীর ব্যক্তিত্বের ভিত তৈরি করে দেয়।

শিক্ষাদানের গুরুত্ব

1) ব্যক্তিগত উন্নয়ন: শিক্ষাদান শিক্ষার্থীর মধ্যে আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা, অধ্যবসায়, জ্ঞান-চর্চা গড়ে তোলে। একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত—ক্যারিয়ার, নৈতিকতা, আচরণ—সবকিছুর উপর শিক্ষকের প্রভাব থাকে।

2) সামাজিক উন্নয়ন: শিক্ষা সমাজকে সভ্য করে। অশিক্ষা সমাজে কুসংস্কার বাড়ায়, অপরাধ বাড়ায়। আর শিক্ষা মানুষকে যুক্তিবাদী, মানবিক ও দায়িত্বশীল করে।

3) জাতীয় উন্নয়ন: একটি দেশের অর্থনীতি, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি—সবকিছুর উন্নতির ভিত্তি হলো শিক্ষা। শিক্ষকের ভূমিকা ছাড়া মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্ভব নয়।

4) মূল্যবোধ ও চরিত্র গঠন: শিক্ষকই প্রথম শিশুদের শেখান—সত্য বলা, দায়িত্ব পালন, সহানুভূতি, সহযোগিতা, সহনশীলতা। তাই শিক্ষকের ভূমিকা কেবল পড়ানো নয়; বরং মানুষ বানানো

5) ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরি: একজন শিক্ষক ভবিষ্যতের নেতৃত্ব গড়ে দেন। স্কুলের ক্লাসরুমই হলো ভবিষ্যৎ সমাজের ট্রেনিং গ্রাউন্ড।

6) Teaching is the “Multiplier Effect”: একজন শিক্ষক একজন শিক্ষার্থীকে পরিবর্তন করেন। সেই শিক্ষার্থী বড় হয়ে অনেক মানুষকে প্রভাবিত করে। তাই শিক্ষক হলেন এমন এক শক্তি, যিনি সমাজে বহু প্রজন্মকে আলোকিত করেন।

Important Point

  • শিক্ষক সমাজের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করেন (Teachers build the future of society)
  • শিক্ষার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব (Education enables national development)
  • Teaching creates values, not only knowledge (শিক্ষাদান কেবল জ্ঞান নয়, মূল্যবোধ গড়ে তোলে)

TEACHING AS A PROFESSION

Teaching as a profession অর্থ হলো: শিক্ষাদানকে একটি দক্ষতা-ভিত্তিক, প্রশিক্ষণ-নির্ভর, নৈতিকতা-ভিত্তিক এবং দায়িত্বপূর্ণ পেশা হিসেবে গ্রহণ করা। এখানে শিক্ষক কেবল চাকুরিজীবী নন; তিনি একজন trained professional

Elementary School Perspective (প্রাথমিক স্তর)

প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষককে শিশুদের মানসিক গঠন ও শেখার ভিত্তি তৈরি করতে হয়। এখানে শিক্ষককে হতে হয়:

  • অতিরিক্ত ধৈর্যশীল (Patient)
  • শিশু মনস্তত্ত্ব জানা (Child Psychology)
  • খেলাধুলা ও কার্যকলাপের মাধ্যমে শেখাতে দক্ষ
  • স্নেহশীল ও নিরাপত্তা প্রদানকারী

প্রাথমিক শিক্ষক শিশুদের জীবনের প্রথম “role model”। তাই এখানে পাঠদানের পাশাপাশি আচরণগত উন্নয়ন, ভাষা শেখানো, সামাজিকতা গড়ে তোলা; সবই গুরুত্বপূর্ণ।

Secondary School Perspective (মাধ্যমিক স্তর)

মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের থাকে:

  • কৈশোরের মানসিক টানাপোড়েন
  • ক্যারিয়ার লক্ষ্য
  • প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ

এখানে শিক্ষককে হতে হয়:

  • বিষয়ভিত্তিক দক্ষ (Subject Expert)
  • গাইড ও কাউন্সেলর
  • শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্ষম
  • পরীক্ষামুখী প্রস্তুতি + জীবন দক্ষতা দুইই

Teaching as a profession

Teaching as a profession মানে শিক্ষাদানকে এমন একটি পেশা হিসেবে দেখা যেখানে:

  • বিশেষ প্রশিক্ষণ লাগে
  • নির্দিষ্ট যোগ্যতা লাগে
  • নির্দিষ্ট আচরণবিধি (Code of Conduct) মানতে হয়
  • দায়িত্ববোধ ও দক্ষতা দরকার

পেশাদার শিক্ষক নিজের কাজের উন্নয়নের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ, রিফ্রেশার কোর্স, গবেষণা ও নতুন পদ্ধতি শেখেন।

Teaching as a mission

Teaching as a mission মানে শিক্ষাদানকে “সেবা” হিসেবে দেখা।
শিক্ষক তখন মনে করেন:
👉 “আমি একজন মানুষ তৈরি করছি”
এটা শুধু বেতন বা চাকরি নয়, বরং জাতি ও সমাজের উন্নতির জন্য ত্যাগ ও দায়িত্বের কাজ।

Teaching as a vocation

Vocation মানে হলো “আত্মিক ডাক” বা অন্তরের পেশা।
কিছু মানুষ শিক্ষক হন কারণ তাঁরা সত্যিই শিশুদের ভালোবাসেন, শেখাতে ভালোবাসেন, মানুষের পরিবর্তন দেখতে ভালোবাসেন।
এখানে শিক্ষকতার মধ্যে থাকে আনন্দ, আত্মতৃপ্তি ও আত্মিক শান্তি।

Important Point:

  • প্রাথমিক শিক্ষক শিশুর ভিত্তি গড়ে তোলেন (Primary teachers build the foundation)
  • মাধ্যমিক শিক্ষক ক্যারিয়ার ও মানসিক বিকাশে গাইড করেন (Secondary teachers guide career and adolescence)
  • Teaching is profession + mission + vocation (শিক্ষকতা পেশা + মিশন + আত্মিক ডাক)

TYPES OF TEACHERS

[Some teachers are teachers by; ✓ Choice ✓ Chance ✓ Force ✓ Accident]

শিক্ষক সমাজে সবাই একই কারণে শিক্ষক হন না। উদ্দেশ্য, মানসিকতা ও পরিস্থিতির কারণে শিক্ষকের ধরন আলাদা হতে পারে।

1) Teachers by Choice

এরা স্বেচ্ছায় শিক্ষক হন। কারণ:

  • শিক্ষাকে ভালোবাসেন
  • শিশুদের ভালোবাসেন
  • সমাজসেবাকে গুরুত্ব দেন
    এরা সাধারণত সবচেয়ে কার্যকর শিক্ষক হন, কারণ তাঁদের মধ্যে থাকে passion।

2) Teachers by Chance

অনেকে পরিকল্পনা না করেও সুযোগের কারণে শিক্ষক হন। যেমন:

  • অন্য চাকরি না হওয়ায়
  • শিক্ষকতার অফার পেয়ে
    যদি এরা পরে দায়িত্ব ভালোভাবে গ্রহণ করেন, তবে এরা ভালো শিক্ষক হতে পারেন।

3) Teachers by Force

কিছু মানুষ পারিবারিক চাপ, আর্থিক বাধ্যবাধকতা বা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষকতা করেন। এখানে সমস্যা হয়—অনেকে পেশায় মন থেকে যুক্ত হন না। ফলে দায়িত্বে অবহেলা দেখা দিতে পারে।

4) Teachers by Accident

কিছু মানুষ হঠাৎ ঘটনাচক্রে শিক্ষক হন। যেমন:

  • কোনো প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী চাকরি
  • টিউশন করতে গিয়ে শিক্ষকতায় ঢুকে পড়া
    তবে অনেকে এই accidental journey থেকেই মহান শিক্ষক হয়ে ওঠেন।

Important Point:

  • Choice-based teacher usually best (পছন্দ করে হওয়া শিক্ষক সাধারণত সবচেয়ে ভালো)
  • Chance/Accident teachers can become great with training (সুযোগ/হঠাৎ শিক্ষকও প্রশিক্ষণে ভালো হতে পারে)
  • Force-based teaching may reduce motivation (জোর করে শিক্ষকতা করলে আগ্রহ কমতে পারে)

PROFESSIONAL TEACHER

Professional Teacher হলেন এমন একজন শিক্ষক যিনি দক্ষতা, জ্ঞান, নৈতিকতা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকতাকে উচ্চমানের পর্যায়ে নিয়ে যান।

1) Subject matter knowledge: পেশাদার শিক্ষকের বিষয়জ্ঞান শক্ত। তিনি শুধু বইয়ের তথ্য জানেন না—ধারণাগত স্পষ্টতা রাখেন।

2) Organizational skills:

শিক্ষক ক্লাস সাজাতে পারেন:

  • Lesson Plan
  • Teaching Learning Materials (TLM)
  • সময় ব্যবস্থাপনা (Time management)

3) Roles and responsibilities: Professional teacher জানেন তাঁর ভূমিকা:

  • Educator
  • Mentor
  • Discipline maintainer
  • Guardian in school
  • Counsellor

4) Observational skills: তিনি শিক্ষার্থীকে পর্যবেক্ষণ করেন-

  • কে দুর্বল
  • কে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন
  • কে আচরণগত সমস্যা করছে

5) Communication skills: শিক্ষকের কথা বলা, বোঝানো, প্রশ্ন করা, উৎসাহ দেওয়া—সবই স্পষ্ট ও শালীন।

6) Technical understanding of classroom learning methodologies: শিক্ষক জানেন:

  • Activity-based learning
  • Constructivism
  • Experiential learning
  • Assessment tools (formative/summative)

7) Valuable feedback: একজন পেশাদার শিক্ষক শিক্ষার্থীকে উন্নত করার জন্য feedback দেন—শুধু ভুল ধরেন না, সঠিক পথ দেখান

Important Point:

  • পেশাদার শিক্ষক = প্রশিক্ষিত + নৈতিক + দক্ষ (Professional teacher = trained + ethical + skilled)
  • ফিডব্যাক শেখাকে উন্নত করে (Feedback improves learning)
  • শিক্ষককে পদ্ধতি + মনস্তত্ত্ব জানতে হবে (Teacher must know pedagogy + psychology)

Advantages of a Teaching career

শিক্ষকতা পেশার সুবিধা ও মর্যাদা অত্যন্ত বেশি। এটি শুধু জীবিকা নয়—এটি সমাজের পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম।

1) The status of teachers: সমাজে শিক্ষককে সম্মান করা হয়। শিক্ষকতা পেশা “respectable profession।”

2) Noble profession: শিক্ষকতা মহান পেশা, কারণ এটি মানুষের জীবন গড়ে।

3) Enlighten and Impact Lives: একজন শিক্ষক অনেক শিক্ষার্থীর জীবন আলোকিত করেন।

4) Stable job opportunity: শিক্ষকতা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল চাকরি।

5) Job satisfaction: শিক্ষার্থী সফল হলে শিক্ষক আত্মতৃপ্তি পান।

6) Job security: অন্যান্য বহু পেশার তুলনায় নিরাপত্তা বেশি।

7) Varied profession: প্রতিদিন একঘেয়ে নয়—প্রতিদিন নতুন শিশু, নতুন পরিস্থিতি।

8) Nation builders: শিক্ষকরাই জাতি গঠন করেন।

9) Voice of consciousness: শিক্ষক সমাজের বিবেক (conscience) হিসেবে কাজ করেন।

10) Lifelong learner: শিক্ষক সারাজীবন শেখেন। নতুন বই, নতুন টেকনোলজি, নতুন পদ্ধতি শিখতে হয়।

11) Positive influence on future generation: পরবর্তী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ শিক্ষকতার সবচেয়ে বড় শক্তি।

Important Point

  • শিক্ষকতা মহান ও জাতি গড়ার পেশা (Teaching is noble and nation-building)
  • শিক্ষকতায় আত্মতৃপ্তি বেশি (Job satisfaction is high in teaching)
  • শিক্ষক ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রভাবিত করেন (Teacher influences future generations)

PROFESSIONAL ETHICS FOR TEACHERS

শিক্ষকতার পেশাগত নৈতিকতা (Professional Ethics) মানে হলো এমন নীতি ও মূল্যবোধ যা শিক্ষককে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ককে নিরাপদ ও সম্মানজনক রাখে।

1) Patience (ধৈর্য): শিক্ষার্থী ভুল করবেই। শিক্ষককে ধৈর্য ধরে শেখাতে হবে।

2) Care (যত্ন): শিক্ষার্থীর শারীরিক-মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শিক্ষকতার মৌলিক দায়িত্ব।

3) Respect (সম্মান): শিক্ষার্থীকে ছোট করা নয়, সম্মান দিতে হবে। সম্মান পেলে শিক্ষার্থী শেখে।

4) Trust (বিশ্বাস): শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে বিশ্বাস না থাকলে শেখা হয় না।

5) Integrity (সততা): শিক্ষককে সত্যবাদী ও ন্যায্য হতে হবে।

6) Professional views: শিক্ষকের আচরণ পেশাদার হবে—গোপনীয়তা বজায় রাখা, পক্ষপাত না করা, নিয়ম মেনে চলা।

7) Roles and responsibilities

  • সময়মতো স্কুলে আসা
  • সঠিক মূল্যায়ন
  • child protection
  • inclusive education

Educational Implications

নৈতিক শিক্ষকতা শিক্ষাব্যবস্থায় বড় প্রভাব ফেলে:

  • শ্রেণিকক্ষ নিরাপদ হয়
  • শিশুদের আত্মসম্মান বৃদ্ধি পায়
  • শৃঙ্খলা স্বাভাবিক হয়
  • learning outcome উন্নত হয়
  • সমাজে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা বাড়ে

Important Point

  • নৈতিকতা শ্রেণিকক্ষকে নিরাপদ রাখে (Ethics ensures safe classroom)
  • সততা বিশ্বাস তৈরি করে (Integrity builds trust)
  • সম্মান শেখার পরিবেশ তৈরি করে (Respect creates learning-friendly environment)

How to Build a High-Quality Teaching Profession

একটি উচ্চমানের শিক্ষকতা পেশা তৈরি করতে হলে শুধু শিক্ষক নিয়োগ করলেই হবে না; দরকার সঠিক নির্বাচন, উন্নত প্রশিক্ষণ, নৈতিক কাঠামো, পেশাগত উন্নয়ন এবং সম্মানজনক পরিবেশ

1) Strong recruitment and selection

  • যোগ্যতা যাচাই
  • aptitude test
  • demo class
  • interview
    কারণ শিক্ষকতা শুধুই জ্ঞানের বিষয় নয়—এটি আচরণ ও নেতৃত্বের বিষয়ও।

2) High-quality pre-service training

B.Ed/D.El.Ed প্রশিক্ষণ যেন শুধু সার্টিফিকেট না হয়, বরং বাস্তব দক্ষতা গড়ে তোলে।

  • lesson planning
  • classroom management
  • child psychology
  • inclusive education
  • ICT tools

3) Continuous Professional Development (CPD)

শিক্ষককে নিয়মিত:

  • refresher course
  • workshop
  • training
  • online modules
    করতে হবে।

4) Mentoring system

নতুন শিক্ষকদের পাশে অভিজ্ঞ শিক্ষক (mentor) থাকা দরকার। এতে classroom challenges সহজে সমাধান হয়।

5) Performance evaluation (supportive)

শিক্ষকের মূল্যায়ন শাস্তিমূলক নয়; উন্নয়নমূলক হতে হবে।

  • feedback
  • classroom observation
  • peer learning

6) Professional autonomy + accountability

শিক্ষকের স্বাধীনতা থাকতে হবে কিন্তু দায়িত্বও নিতে হবে।

  • curriculum flexibility
  • innovation encouragement
  • accountability measures

7) Better salary + dignity + wellbeing

শিক্ষকের বেতন ও সামাজিক মর্যাদা বাড়লে ভালো শিক্ষার্থী শিক্ষকতায় আসবে। Workload যুক্তিসঙ্গত করতে হবে, mental health support দিতে হবে।

8) Technology integration

বর্তমান যুগে শিক্ষকতা মানে:

  • smart classroom
  • digital content
  • blended learning

9) Strengthening ethics and safeguarding

শিক্ষককে child safeguarding, anti-bullying, gender sensitivity বিষয়ে trained করতে হবে।

10) Community and parent partnership

বিদ্যালয় একা নয়। অভিভাবক ও সমাজকে যুক্ত করতে হবে।

  • SMC
  • PTA
  • awareness programme

শিক্ষকতার পেশা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

Q1. আদর্শ শিক্ষক বলতে কী বোঝেন?
উত্তর:
আদর্শ শিক্ষক বলতে আমি এমন একজন শিক্ষককে বুঝি যিনি শুধু তথ্য বা পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান দেন না—তিনি শিক্ষার্থীর জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ এবং আচরণগত পরিবর্তন ঘটাতে সাহায্য করেন। আদর্শ শিক্ষক শিক্ষার্থীর ভেতরের সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তোলেন এবং শেখাকে আনন্দময় করেন। তিনি Facilitator, Guide, Motivator, Counsellor এবং Evaluator হিসেবে কাজ করেন। তাঁর আচরণে থাকে ধৈর্য, যত্ন, সম্মান, সততা ও দায়িত্ববোধ—যা শিশুর জীবন গঠনে বড় ভূমিকা রাখে।

Q2. আপনি কেন সরকারি চাকরি করতে চান?
উত্তর:
আমি সরকারি চাকরি করতে চাই কারণ শিক্ষকতা একটি নোবেল ও nation-building profession। সরকারি বিদ্যালয়ে কাজ করলে সমাজের সব শ্রেণির শিশুকে সমানভাবে শিক্ষার সুযোগ দেওয়া যায়। পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে কাজের কাঠামো স্থিতিশীল ও দায়িত্বপূর্ণ—যেখানে আমি দীর্ঘমেয়াদে নিয়ম মেনে, নৈতিকতা বজায় রেখে শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারব। আমি মনে করি শিক্ষকতা শুধু চাকরি নয়—এটি mission; তাই সরকারি শিক্ষক হিসেবে আমি আরও বেশি শিশুকে আলোকিত করতে পারব।

Q3. আপনি কি প্রাইভেট টিউশন পড়ান?
উত্তর:
আমি বর্তমানে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়তা করি। তবে একজন শিক্ষক হিসেবে আমি বিশ্বাস করি স্কুলের ক্লাসই হবে শিক্ষার মূল জায়গা। আমি শিক্ষক হলে শ্রেণিকক্ষে activity-based learning, TLM, group work ব্যবহার করে এমনভাবে পড়াব যাতে শিশুরা বিদ্যালয়েই সম্পূর্ণভাবে শিখতে পারে এবং টিউশনের প্রয়োজন কমে যায়। শিক্ষার্থীর শেখা নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।

Q4. যে সমস্ত স্কুলের শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশন পড়ায় আপনি কি তাদের সমর্থন করেন?
উত্তর:
আমি মনে করি শিক্ষকতা একটি professional ও ethical profession। তাই স্কুলের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন না করে যদি কেউ টিউশনের দিকে বেশি ঝোঁকে—আমি সেটা সমর্থন করি না। এতে স্কুলশিক্ষা দুর্বল হয় এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসাম্য তৈরি হয়। একজন শিক্ষককে integrity, fairness এবং responsibility বজায় রাখতে হবে। আমার লক্ষ্য হলো বিদ্যালয়ের ক্লাসকে শক্তিশালী করা যাতে শিক্ষার্থীর বাইরে টিউশনের প্রয়োজনই না হয়।

Q5. একটি শিশুর সু-অভ্যাস গঠনের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষকের ভূমিকা কী?
উত্তর:
শিশুর সু-অভ্যাস গঠনে শিক্ষক খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, কারণ শিশুরা শিক্ষককে role model হিসেবে দেখে। শিক্ষক ধৈর্য ও যত্ন নিয়ে শিশুকে শৃঙ্খলা, সত্যবাদিতা, পরিচ্ছন্নতা, সময়নিষ্ঠা, সহযোগিতা ও সহানুভূতি শেখান। শিক্ষক যদি শ্রেণিকক্ষে respect, trust এবং care বজায় রাখেন, তাহলে শিশুর আত্মসম্মান বাড়ে এবং ভালো আচরণ তৈরি হয়। অর্থাৎ শিক্ষক শুধু পড়ান না—শিশুর চরিত্রও গড়েন।

Q6. একজন প্রাথমিক শিক্ষকের কী কী গুণাবলী থাকা প্রয়োজন?
উত্তর:
একজন প্রাথমিক শিক্ষকের প্রধান গুণ হলো ধৈর্য (patience), শিশুপ্রেম এবং child psychology বোঝা। কারণ প্রাথমিক স্তরেই শেখার ভিত্তি তৈরি হয়। একজন প্রাথমিক শিক্ষককে হতে হবে—স্নেহশীল, যত্নবান, স্পষ্টভাবে বোঝাতে সক্ষম, শ্রেণিকক্ষ পরিচালনায় দক্ষ এবং activity-based learning-এ পারদর্শী। এছাড়া তাঁর মধ্যে নৈতিকতা, সততা এবং দায়িত্ববোধ থাকতে হবে, কারণ প্রাথমিক শিক্ষকই শিশুর জীবনের প্রথম role model।

Q7. একজন শিক্ষকের সার্বিক উদ্দেশ্য কী হওয়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?
উত্তর:
আমি মনে করি একজন শিক্ষকের সার্বিক উদ্দেশ্য হওয়া উচিত শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশ। অর্থাৎ শুধু পরীক্ষায় নম্বর নয়—শিক্ষার্থীর জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ, আচরণ এবং আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা। শিক্ষার্থীর মধ্যে মানবিকতা, দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা এবং সমাজচেতনা তৈরি করা শিক্ষকের দায়িত্ব। কারণ শিক্ষক হলেন nation builder—তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করেন।

Q8. একজন প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে আপনি কীভাবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠ্য বিষয়টিকে অধিক মনোগ্রাহী করে তুলবেন?
উত্তর:
আমি পাঠ্য বিষয়কে মনোগ্রাহী করতে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করব। এর জন্য আমি TLM, ছবি, চার্ট, গল্প, ছড়া, গেম, কুইজ, group work এবং role play ব্যবহার করব। আমি বাস্তব জীবনের উদাহরণ দিয়ে বিষয়কে সহজ করব এবং শিশুদের প্রশ্ন করতে উৎসাহ দেব। ফলে শেখা হবে আনন্দময় এবং শিশুদের ভয় কমে যাবে। এভাবেই facilitation of learning বাস্তবে সম্ভব হবে।

Q9. কোনো শিক্ষার্থী যদি নিয়মিত শ্রেণীর পঠন-পাঠন থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে, সে অবস্থায় একজন শিক্ষক হিসেবে আপনার ভূমিকা কী হবে?
উত্তর:
প্রথমে আমি শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতির কারণ খুঁজে বের করব। তারপর শিশুর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণভাবে কথা বলে তাকে counselling ও motivation দেব। অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ করে পারিবারিক সমস্যা আছে কি না দেখব। যদি পড়ায় দুর্বল হয়, তবে তাকে remedial support দেব এবং ক্লাসে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াব। আমি মনে করি শাস্তি নয়—care, trust এবং respect দিয়েই শিশুকে নিয়মিত স্কুলমুখী করা সম্ভব।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top