WBBPE Class 5 Notes: Amader Paribesh – Unit 1 Human Body

Rate this post

প্রশ্ন ১: শরীরের বর্ম কাকে বলা হয়?
উত্তর: চামড়া বা ত্বককে শরীরের বর্ম বলা হয়।

প্রশ্ন ২: চামড়াকে বর্ম বলার কারণ কী?
উত্তর: চামড়া বাইরের আঘাত ও রোগজীবাণুর হাত থেকে শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে রক্ষা করে। চামড়া আমাদের শরীরকে বাইরের আঘাত, ধুলোবালি, জীবাণু ও ক্ষতিকর পদার্থ থেকে রক্ষা করে। তাই একে শরীরের সুরক্ষাকবচ বা বর্ম বলা হয়।

প্রশ্ন ৩: চামড়ার নিচে কী কী থাকে?
উত্তর: চামড়ার নিচে মাংসপেশি, শিরা, ধমনী ও হাড় থাকে। এগুলো শরীরের গঠন তৈরি করে এবং রক্ত সঞ্চালন ও নড়াচড়ায় সাহায্য করে।

প্রশ্ন ৪: বয়স বাড়লে চামড়া কুঁচকে যায় কেন?
উত্তর: বয়স বাড়লে শরীরের বৃদ্ধি থেমে যায় এবং চামড়ার টানটান ভাব কমে যায়, তাই চামড়া কুঁচকে যায়। বয়স বাড়লে ত্বকে কোলাজেন ও ইলাস্টিন নামের প্রোটিন কমে যায়, যা ত্বককে টানটান রাখে। ত্বক পাতলা ও শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং নিচের চর্বির স্তর কমে যায়। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, মুখের অভিব্যক্তি ও খারাপ জীবনযাপন এই প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে, ফলে ত্বকে ভাঁজ পড়ে।

প্রশ্ন ৫: রোদ লাগলে শরীরে কোন ভিটামিন তৈরি হয়?
উত্তর: রোদ লাগলে শরীরে ভিটামিন–ডি তৈরি হয়। সূর্যের UV-B রশ্মি ত্বকের উপর পড়লে ত্বকে থাকা এক ধরনের উপাদান (7-dehydrocholesterol) থেকে ভিটামিন ডি তৈরি হয়। ভিটামিন ডি হাড় ও দাঁত মজবুত রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নিয়মিত অল্প সময় রোদে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

প্রশ্ন ৬: মেলানিন কী?
উত্তর: মেলানিন হলো চামড়ায় থাকা এক প্রকার রঞ্জক পদার্থ, যা চামড়ার রঙের জন্য দায়ী। মেলানিন হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক রঞ্জক পদার্থ, যা আমাদের ত্বক, চুল ও চোখের রং নির্ধারণ করে। এটি দেহে বিশেষ কোষ—মেলানোসাইট দ্বারা উৎপন্ন হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষা দিতেও মেলানিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যার শরীরে মেলানিন বেশি, তার ত্বক অপেক্ষাকৃত গাঢ় হয়।

প্রশ্ন ৭: মেলানিনের প্রধান কাজ কী?
উত্তর: মেলানিন সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং শরীরকে রক্ষা করে।

প্রশ্ন ৮: ঘামলে শরীর থেকে কী বেরিয়ে যায়?
উত্তর: ঘামলে শরীর থেকে জল, লবণ এবং কিছু বর্জ্য পদার্থ বেরিয়ে যায়। ঘামলে শরীর থেকে প্রধানত জল, লবণ (সোডিয়াম ক্লোরাইড) ও অল্প পরিমাণে ইউরিয়া বেরিয়ে যায়। এটি দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সাধারণ অবস্থায় একজন মানুষের শরীর থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিলিটার ঘাম নির্গত হতে পারে, তবে গরমে বা কঠোর পরিশ্রমে তা ১–২ লিটার বা তার বেশি হতে পারে। গরম আবহাওয়া বা পরিশ্রমের সময় শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে ঘামগ্রন্থি সক্রিয় হয়। ঘাম বাষ্পীভূত হয়ে দেহকে ঠান্ডা রাখে এবং তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। অতিরিক্ত ঘামে শরীর থেকে জল ও খনিজ লবণ কমে যায়, তাই পর্যাপ্ত জল পান করা অত্যন্ত জরুরি।

প্রশ্ন ৯: চুল বা লোম পেকে যায় কেন?
উত্তর: শরীরে মেলানিন তৈরির ক্ষমতা কমে গেলে বা মেলানিন নষ্ট হলে চুল সাদা বা পেকে যায়। চুল বা লোম পেকে যায় মূলত মেলানিন রঞ্জক পদার্থের ঘাটতির কারণে। আমাদের চুলের রং নির্ধারণ করে মেলানিন, যা মেলানোসাইট কোষ দ্বারা উৎপন্ন হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কোষগুলির কার্যক্ষমতা কমে যায়, ফলে মেলানিন উৎপাদন হ্রাস পায় এবং চুল সাদা বা ধূসর হয়ে যায়। এছাড়া মানসিক চাপ, পুষ্টির অভাব ও বংশগত কারণও দায়ী। শিক্ষক হিসেবে আমি বলব, এটি একটি স্বাভাবিক জৈব প্রক্রিয়া।

প্রশ্ন ১০: কোন প্রাণীর গায়ের চামড়া সবচেয়ে পুরু ও বর্মের মতো শক্ত?
উত্তর: গণ্ডারের চামড়া।

  • ১) হাতি — চামড়া প্রায় ২–৪ সেমি পুরু। এটি শক্ত ও স্থিতিস্থাপক; আনুমানিক ২০০০–৩০০০ কিলোপাস্কাল (kPa) পর্যন্ত চাপ সহ্য করতে পারে।
  • ২) গন্ডার — চামড়া ১.৫–৫ সেমি পুরু। বর্মের মতো ভাঁজযুক্ত ত্বক প্রায় ৩০০০ kPa চাপ সহ্যক্ষম।
  • ৩) জলহস্তী — চামড়া প্রায় ৪–৫ সেমি পুরু; প্রায় ২৫০০ kPa চাপ সহ্য করে।
  • ৪) কুমির — চামড়া ২–৩ সেমি পুরু; প্রায় ২০০০ kPa চাপ সহনশীল।
  • ৫) আর্মাডিলো — বর্মসদৃশ আবরণ ১–২ সেমি; প্রায় ১৫০০ kPa চাপ সহ্য করতে সক্ষম।

প্রশ্ন ১১: অনেক প্রাণীর শিং আসলে কী থেকে তৈরি?
উত্তর: অনেক প্রাণীর শিং আসলে চুলেরই একটি রূপান্তরিত শক্ত রূপ। অনেক প্রাণীর শিং মূলত কেরাটিন নামক এক ধরনের প্রোটিন দিয়ে তৈরি। কেরাটিন আমাদের নখ ও চুলের প্রধান উপাদানও বটে।

প্রশ্ন ১২: সজারুর কাঁটা আসলে কী?
উত্তর: সজারুর কাঁটা হলো তার শরীরের রূপান্তরিত শক্ত লোম। সজারুর কাঁটা আসলে পরিবর্তিত লোম, যা কেরাটিন প্রোটিন দিয়ে গঠিত। অর্থাৎ এটি চুলেরই বিশেষ রূপ। কাঁটাগুলি শক্ত, ফাঁপা ও ধারালো হওয়ায় শত্রুর আক্রমণ থেকে সজারুকে রক্ষা করে। বিপদের সময় সজারু কাঁটা খাড়া করে আত্মরক্ষা করে। শিক্ষক হিসেবে আমি বলব, এটি প্রাণীর অভিযোজনের সুন্দর উদাহরণ।

প্রশ্ন ১৩: বিড়ালের নখ লুকানো থাকে কেন?
উত্তর: হাঁটার সময় যাতে নখ মাটিতে ঘষে ক্ষয়ে না যায়, তাই বিড়াল নখ লুকিয়ে রাখে।

প্রশ্ন ১৪: শিকারি পাখিদের নখ কেমন হয়?
উত্তর: শিকারি পাখিদের নখ হুক বা বড় শিরার মতো বাঁকানো ও খুব শক্ত হয়।

প্রশ্ন ১৫: হাড় মজবুত করার জন্য কী প্রয়োজন?
উত্তর: ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন–ডি সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন। [হাড় মজবুত করার জন্য প্রধানত ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস প্রয়োজন। এর সঙ্গে ভিটামিন ডি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। দুধ, ডিম, মাছ, শাকসবজি ও রোদে থাকা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নিয়মিত ব্যায়ামও হাড়কে শক্ত করে। কিশোর বয়সে সঠিক পুষ্টি না পেলে ভবিষ্যতে হাড় দুর্বল হতে পারে। শিক্ষক হিসেবে আমি বলব, সুষম আহার ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই মজবুত হাড়ের চাবিকাঠি।]

  • পর্যাপ্ত Ca²⁺PO₄³⁻ প্রয়োজন
  • Vitamin D (calcitriol) অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়ায়
  • MgZn অস্টিওব্লাস্ট কার্যকারিতায় সহায়ক।
  • Osteoporosis প্রতিরোধে RDA অনুযায়ী ক্যালসিয়াম (≈1000–1200 mg/day) ও ভিটামিন D (≈800–1000 IU/day) গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন ১৬: অস্থি সন্ধি কাকে বলে?
উত্তর: যেখানে দুটি হাড় একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকে অস্থি সন্ধি বলে। [আমাদের দেহে চলন ও ভঙ্গি বজায় রাখতে সন্ধির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যেমন— হাঁটু, কাঁধ ও কনুই সন্ধির মাধ্যমে হাত-পা নড়াচড়া করতে পারে। গঠন ও কার্য অনুযায়ী সন্ধি তিন প্রকার— অচল, অল্পচল ও সচল সন্ধি।]

প্রশ্ন ১৭: লিগামেন্ট কী?
উত্তর: দড়ির মতো টিস্যু যা অস্থিসন্ধিতে হাড়গুলোকে যুক্ত করে রাখে। [লিগামেন্ট হলো শক্ত ও স্থিতিস্থাপক তন্তুযুক্ত সংযোজক কলা, যা একটি অস্থিকে অন্য অস্থির সঙ্গে যুক্ত করে এবং অস্থিসন্ধিকে স্থিতিশীল রাখে। এটি প্রধানত কোলাজেন তন্তু দিয়ে গঠিত। লিগামেন্ট অতিরিক্ত নড়াচড়া সীমিত করে আঘাত থেকে সন্ধিকে রক্ষা করে।]

প্রশ্ন ১৮: কনুই থেকে কবজি পর্যন্ত হাড়ের নাম কী?
উত্তর: আলনা ও রেডিয়াস।

প্রশ্ন ১৯: কাঁধ থেকে কনুই পর্যন্ত হাড়ের নাম কী?
উত্তর: হিউমেরাস।

প্রশ্ন ২০: কোমর থেকে হাঁটু পর্যন্ত হাড়ের নাম কী?
উত্তর: ফিমার (মানুষের শরীরের দীর্ঘতম হাড়)।

প্রশ্ন ২১: হাঁটুর নিচ থেকে গোড়ালি পর্যন্ত হাড়ের নাম কী?
উত্তর: টিবিয়া ও ফিবুলা।

প্রশ্ন ২২: মেরুদণ্ডের হাড়কে কী বলা হয়?
উত্তর: কশেরুকা।

প্রশ্ন ২৩: মাংসপেশির প্রধান কাজ কী?
উত্তর: হাড় নড়াচড়া করানো, জিনিস ধরা এবং শরীরের আকৃতি প্রদান।

প্রশ্ন ২৪: শরীরের সবচেয়ে বড় মাংসপেশি কোথায় থাকে?
উত্তর: কোমরের নিচে ও উরুতে।

প্রশ্ন ২৫: বাইসেপ পেশি কোথায় থাকে?
উত্তর: কাঁধ ও কনুইয়ের মাঝখানে।

প্রশ্ন ২৬: হৃদপিণ্ড কী ধরনের অঙ্গ?
উত্তর: এটি পাম্পের মতো কাজ করা একটি পেশিবহুল অঙ্গ।

প্রশ্ন ২৭: স্টেথোস্কোপ দিয়ে কী শোনা হয়?
উত্তর: হৃদস্পন্দনের শব্দ।

প্রশ্ন ২৮: স্টেথোস্কোপ কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: রেনে লিনেক।

প্রশ্ন ২৯: রক্ত চলাচলের মাধ্যম কী?
উত্তর: ধমনী ও শিরা।

প্রশ্ন ৩০: রক্ত লাল কেন দেখায়?
উত্তর: হিমোগ্লোবিন থাকার কারণে।

প্রশ্ন ৩১: ফুসফুসের কাজ কী?
উত্তর: অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ।

প্রশ্ন ৩২: জোরে শ্বাস নিলে কোন অংশ ফুলে ওঠে?
উত্তর: বুক ও ফুসফুস।

প্রশ্ন ৩৩: ধোঁয়া বা ধুলো ফুসফুসে গেলে কী হয়?
উত্তর: কাশি, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ক্যান্সার হতে পারে। [ধোঁয়া বা ধুলো ফুসফুসে গেলে শ্বাসনালিতে জ্বালা, কাশি ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। সূক্ষ্ম কণাগুলি অ্যালভিওলাই পর্যন্ত পৌঁছে গ্যাস আদান-প্রদান ব্যাহত করে। দীর্ঘদিন এক্সপোজারে ব্রঙ্কাইটিস, অ্যাজমা বা COPD-এর ঝুঁকি বাড়ে এবং ফুসফুসের প্রদাহ সৃষ্টি হয়। তাই মাস্ক ব্যবহার, দূষণ এড়ানো ও বায়ু চলাচলযুক্ত পরিবেশে থাকা জরুরি। শিক্ষক হিসেবে আমি বলব, পরিষ্কার বাতাস সুস্থ শ্বাসযন্ত্রের জন্য অপরিহার্য।]

প্রশ্ন ৩৪: ORS কখন দেওয়া হয়?
উত্তর: জলের অভাব, ডায়রিয়া বা অতিরিক্ত বমি হলে।

প্রশ্ন ৩৫: শিশুদের পড়ে যাওয়া দাঁতকে কী বলে?
উত্তর: শিশুদের পড়ে যাওয়া দাঁতকে দুধদাঁত বা অস্থায়ী দাঁত বলা হয়।

  • ৬–৮ মাসে নিচের সামনের ২টি দাঁত ওঠে।
  • ৮–১২ মাসে উপরের সামনের ৪টি দাঁত হয়।
  • ১–২ বছরে ক্যানাইন ও প্রথম মোলার মিলিয়ে দাঁতের সংখ্যা ১২–১৬টি হয়।
  • ২–২.৫ বছরে সব মিলিয়ে ২০টি পূর্ণ হয়।

৬ বছর থেকে ধীরে ধীরে দুধদাঁত পড়তে শুরু করে এবং ১২–১৩ বছরে অধিকাংশই স্থায়ী দাঁতে প্রতিস্থাপিত হয়। শিক্ষক হিসেবে আমি বলব, দুধদাঁত পড়া একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া এবং এ সময় মুখের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

প্রশ্ন ৩৬: নখ বড় রাখলে কী ক্ষতি হয়?
উত্তর: ময়লা ও জীবাণু জমে রোগ হতে পারে। [নখ বড় রাখলে ময়লা ও জীবাণু সহজে জমে, যা খাবারের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে পেটের সংক্রমণ, ডায়রিয়া বা কৃমি রোগের কারণ হতে পারে। বড় নখে আঁচড় লেগে ত্বকে ক্ষত ও সংক্রমণও হতে পারে। বিদ্যালয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি স্বাস্থ্যবিধি ও সুরক্ষার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই নিয়মিত নখ কাটা ও পরিষ্কার রাখা জরুরি। শিক্ষক হিসেবে আমি ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার গুরুত্বে বিশেষ জোর দিই।]

প্রশ্ন ৩৭: বেশি সাবান বা কসমেটিক ব্যবহার করলে কী ক্ষতি?
উত্তর: মেলানিন তৈরিতে বাধা ও চামড়া খসখসে হয়।

প্রশ্ন ৩৮: চামড়ায় ফুসকুড়ি কেন হয়?
উত্তর: নোংরা জল, ঘাম ও সংক্রমণের কারণে। [চামড়ায় ফুসকুড়ি সাধারণত অ্যালার্জি, ঘাম জমে ঘামাচি, সংক্রমণ (ব্যাকটেরিয়া/ফাঙ্গাস/ভাইরাস) বা ত্বকের প্রদাহের কারণে হয়। অপরিষ্কার ত্বক, অতিরিক্ত গরম, নতুন প্রসাধনী বা খাবারের প্রতিক্রিয়ায়ও র‍্যাশ দেখা দিতে পারে। এতে লালচে দানা, চুলকানি বা জ্বালা অনুভূত হয়। প্রতিরোধে ত্বক পরিষ্কার রাখা, ঢিলেঢালা কাপড় পরা ও প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। শিক্ষক হিসেবে আমি স্বাস্থ্যবিধির গুরুত্ব বোঝাই।]

প্রশ্ন ৩৯: শরীরের ভার কোন হাড় বহন করে?
উত্তর: ফিমার ও টিবিয়া–ফিবুলা।

প্রশ্ন ৪০: গোড়ালির হাড়কে কী বলে?
উত্তর: টারসাল হাড়।

প্রশ্ন ৪১: ধমনী ও শিরার রক্তের পার্থক্য কী?
উত্তর: ধমনীতে অক্সিজেনযুক্ত ও শিরায় কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত রক্ত থাকে।

প্রশ্ন ৪২: দাঁত ভালো রাখার উপায় কী?
উত্তর: দিনে দু’বার দাঁত মাজা। [দাঁত ভালো রাখতে প্রতিদিন সকালে ও রাতে ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে অন্তত ২ মিনিট ব্রাশ করা উচিত। খাবারের পর কুলি করা এবং মিষ্টি ও আঠালো খাবার কম খাওয়া জরুরি। ছয় মাস অন্তর দন্তচিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। সঠিক পদ্ধতিতে ব্রাশ ও ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করে। শিক্ষক হিসেবে আমি বলি, নিয়মিত পরিচর্যাই সুস্থ দাঁতের মূল চাবিকাঠি।]

প্রশ্ন ৪৩: কানের বাইরের অংশ কী দিয়ে তৈরি?
উত্তর: তরুণাস্থি (কার্টিলেজ)।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top