General Knowledge on The Solar System

Rate this post

Sun

  • সূর্যের ব্যাসার্ধ পৃথিবীর ব্যাসার্ধের প্রায় ১০০ গুণ (আসল মান প্রায় ১০৯ গুণ)। অর্থাৎ প্রায় ১০০টি পৃথিবী পাশাপাশি রাখলে সূর্যের ব্যাসের সমান হবে।
  • ভরের দিক থেকে সূর্য পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ১০ লক্ষ গুণ বেশি ভারী (আসল মান প্রায় ৩,৩৩,০০০ গুণ)। এই বিশাল ভরের কারণে সূর্যের মহাকর্ষ বল এত বেশি যে পৃথিবীসহ অন্যান্য গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে।
  • সূর্য আমাদের নিকটতম নক্ষত্র। পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার (১ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক একক বা AU)। আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার বেগে চলে। এই হিসেবে সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড সময় নেয়, অর্থাৎ প্রায় ৮.৩ আলোক-মিনিট

The Planets (গ্রহসমূহ)

  1. Mercury (বুধ)
  2. Venus (শুক্র)
  3. Earth (পৃথিবী)
  4. Mars (মঙ্গল)
  5. Jupiter (বৃহস্পতি)
  6. Saturn (শনি)
  7. Uranus (ইউরেনাস)
  8. Neptune (নেপচুন)

শ্রেণিবিভাগ

ভূমিসদৃশ গ্রহ (Terrestrial planets): বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল – এরা ছোট, পাথুরে ও ঘন।
বৃহৎ গ্যাসীয় গ্রহ (Gas giants): বৃহস্পতি, শনি – এরা বিশাল ও প্রধানত গ্যাস দ্বারা গঠিত।
বরফীয় দৈত্য (Ice giants): ইউরেনাস, নেপচুন – এদের মধ্যে বরফ, গ্যাস ও তরল পদার্থের মিশ্রণ রয়েছে।

  • গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ উপবৃত্তাকার পথে আবর্তন করে। এই উপবৃত্তাকার চলার পথকে কক্ষপথ (Orbit) বলা হয়।
  • কোনো গ্রহ যখন নিজ অক্ষের চারদিকে ঘূর্ণন করে, তাকে আবর্তন (Rotation) বলা হয়। [পৃথিবী নিজের অক্ষের উপর প্রায় ২৪ (≈ ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড) ঘণ্টায় একবার ঘূর্ণন সম্পূর্ণ করে, এর ফলেই দিন ও রাত হয়।]
  • আর যখন কোনো গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে কক্ষপথে পরিক্রমণ করে, তাকে পরিক্রমণ (Revolution) বলা হয়। [পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ৩৬৫ (≈ ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড) দিন সময় নেয়, এর ফলেই ঋতু পরিবর্তন ঘটে।]

Johannes Kepler–এর গ্রহগতির সূত্র

  • ১️. প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র): প্রত্যেক গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে আবর্তন করে এবং সূর্য উপবৃত্তের এক ফোকাসে থাকে।
  • ২️. দ্বিতীয় সূত্র (সমান ক্ষেত্রফল সূত্র): গ্রহ ও সূর্যকে সংযোগকারী রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে। অর্থাৎ, গ্রহ সূর্যের কাছে এলে দ্রুত এবং দূরে গেলে ধীরে চলে।
  • ৩️. তৃতীয় সূত্র (সময়–দূরত্ব সূত্র): গ্রহের আবর্তনকাল (T)-এর বর্গ তার কক্ষপথের অর্ধদীর্ঘ অক্ষ (R)-এর ঘনের সমানুপাতিক। অর্থাৎ, T² ∝ R³
Keplers laws of planetary motion

Mercury

  • বুধ গ্রহ সূর্যের নিকটতম গ্রহ। তাই এটি সূর্যের খুব কাছ দিয়ে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পরিক্রমণ করে।
  • এটি সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ। আকার ও ভরের দিক থেকে এটি প্রায় চাঁদের সমান (যদিও চাঁদের চেয়ে কিছুটা বড় ও ভারী)।
  • বুধ সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ৮৮ দিন সময় নেয়। অর্থাৎ এর এক বছর মাত্র ৮৮ পৃথিবী দিবসের সমান।
  • নিজের অক্ষে একবার আবর্তন করতে প্রায় ৫৯ দিন সময় লাগে। ফলে সেখানে দিন ও রাতের সময়কাল অনেক দীর্ঘ।
  • বুধের কোনো উপগ্রহ নেই। এটি একাই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
  • বুধে কার্যত কোনো ঘন বায়ুমণ্ডল নেই। খুব পাতলা এক্সোস্ফিয়ার থাকলেও তা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
  • এর পৃষ্ঠভাগ পাথুরে, গর্তযুক্ত (crater পূর্ণ) ও পর্বতময়। দেখতে অনেকটা চাঁদের মতো।
  • সূর্যের দিকে মুখ করা অংশে তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৪৩০° সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়)।
  • বিপরীত দিকে সূর্যালোক না পৌঁছালে তাপমাত্রা খুব কমে যায় (প্রায় -১৮০° সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়)।
  • তাই বুধ গ্রহের এক পাশ অত্যন্ত উষ্ণ এবং অন্য পাশ অত্যন্ত শীতল, তাপমাত্রার পার্থক্য খুবই বেশি।

Venus (শুক্র গ্রহ)

  • শুক্র গ্রহের কোনো উপগ্রহ বা চাঁদ নেই। এটি একাই সূর্যকে কেন্দ্র করে পরিক্রমণ করে।
  • এটি নিজের অক্ষে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে ঘোরে, যা অন্য অধিকাংশ গ্রহের তুলনায় বিপরীতমুখী (retrograde rotation)।
  • শুক্রের ভর পৃথিবীর প্রায় ৪/৫ অংশ (প্রায় ০.৮ গুণ)। আকারেও এটি পৃথিবীর কাছাকাছি হওয়ায় একে অনেক সময় “পৃথিবীর যমজ গ্রহ” বলা হয়।
  • সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ২২৫ দিন সময় লাগে (প্রায় ২২৫ পৃথিবী দিবস)।
  • নিজের অক্ষে একবার আবর্তন সম্পূর্ণ করতে প্রায় ২৪৩ দিন সময় নেয়। অর্থাৎ শুক্রের এক দিন তার এক বছরের চেয়েও বড়!
  • সূর্যের কাছাকাছি এবং অত্যন্ত উজ্জ্বল হওয়ার কারণে এটি ভোরবেলা বা সন্ধ্যাবেলায় আকাশে দেখা যায়। তাই একে ভোরের তারা বা সন্ধ্যাতারা বলা হয়।
  • শুক্রের বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত ঘন এবং প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) দ্বারা গঠিত। এছাড়া সালফিউরিক অ্যাসিডের মেঘও রয়েছে।
  • ঘন বায়ুমণ্ডলের কারণে সেখানে তীব্র গ্রিনহাউস প্রভাব ঘটে, যা তাপ আটকে রাখে।
  • এর ফলে শুক্র সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রহ, পৃষ্ঠতলের তাপমাত্রা প্রায় ৪৬০° সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়।
  • এত উচ্চ তাপমাত্রা ও ঘন বিষাক্ত বায়ুমণ্ডলের কারণে শুক্র গ্রহে জীবনের অস্তিত্ব প্রায় অসম্ভব বলে মনে করা হয়।

Earth (পৃথিবী)

  • পৃথিবী নিজের অক্ষে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে। এই কারণে আমাদের কাছে সূর্য পূর্ব দিকে উদিত এবং পশ্চিমে অস্ত যায় বলে মনে হয়।
  • পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়। এটি প্রায় গোলাকার হলেও উত্তর ও দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সামান্য চ্যাপ্টা।
  • মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুবরেখা অঞ্চলে কিছুটা স্ফীত হওয়ার জন্য পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতিকে জিওয়েড বলা হয়। জিওয়েড শব্দের অর্থ পৃথিবী সদৃশ আকৃতি।
  • সূর্য থেকে দূরত্বের ক্রমানুসারে পৃথিবী তৃতীয় গ্রহ। বুধ ও শুক্রের পরে এর অবস্থান।
  • মহাকাশ থেকে পৃথিবী নীল ও সবুজ বর্ণের দেখা যায়। জলভাগের আধিক্য এবং স্থলভাগের উপস্থিতির কারণে একে নীল গ্রহ বলা হয়।
  • পৃথিবী এখন পর্যন্ত একমাত্র পরিচিত গ্রহ যেখানে জীবনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
  • এখানে উপযুক্ত তাপমাত্রা বজায় থাকে, যা জীবনের বিকাশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
  • পৃথিবীতে তরল অবস্থায় জল পাওয়া যায়, যা জীবজগতের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য।
  • উর্বর মাটি, বিভিন্ন খনিজ পদার্থ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ জীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে সাহায্য করে।
  • পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল জীবনধারণের উপযোগী এবং এর উপরের স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি থেকে জীবজগতকে সুরক্ষা দেয়।

Mars (মঙ্গল গ্রহ)

  • মঙ্গল গ্রহের আকার পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক। ব্যাস ও আয়তনের দিক থেকে এটি পৃথিবীর তুলনায় অনেক ছোট।
  • সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে মঙ্গলের প্রায় ৬৮৭ দিন সময় লাগে। অর্থাৎ মঙ্গলের এক বছর প্রায় ৬৮৭ পৃথিবী দিনের সমান।
  • মঙ্গল নিজের অক্ষে একবার আবর্তন সম্পূর্ণ করতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা ৩৭ মিনিট সময় নেয়। তাই সেখানে এক দিন পৃথিবীর দিনের প্রায় সমান।
  • মঙ্গলের পৃষ্ঠ লালচে রঙের দেখায়। এর মাটিতে লৌহ অক্সাইড বা মরিচার উপস্থিতির কারণে এটি লাল বর্ণ ধারণ করেছে।
  • এই লালচে রঙের জন্যই মঙ্গলকে লাল গ্রহ বলা হয়।
  • মঙ্গলের দুটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ রয়েছে। এদের নাম ফোবোস ও ডিমোস।
  • Phobos মঙ্গলের বড় উপগ্রহ, যা গ্রহটির খুব কাছে অবস্থান করে এবং দ্রুত গতিতে আবর্তন করে।
  • Deimos তুলনামূলকভাবে ছোট এবং মঙ্গল থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত।
  • মঙ্গলের পৃষ্ঠ পাথুরে ও শুষ্ক, এবং সেখানে বিশাল আগ্নেয়গিরি ও উপত্যকা রয়েছে।
  • বিজ্ঞানীরা মনে করেন অতীতে মঙ্গলে জল থাকার সম্ভাবনা ছিল, তাই সেখানে জীবনের অস্তিত্ব নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে।

Jupiter (বৃহস্পতি গ্রহ)

  • বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বৃহৎ গ্রহ। আকার ও ভরের দিক থেকে এটি অন্যান্য সব গ্রহের চেয়ে অনেক বড়।
  • সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ১১ বছর ১১ মাস সময় লাগে। অর্থাৎ বৃহস্পতির এক বছর পৃথিবীর প্রায় ১২ বছরের সমান।
  • বৃহস্পতি নিজের অক্ষে খুব দ্রুত আবর্তন করে। একবার ঘূর্ণন সম্পূর্ণ করতে প্রায় ৯ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট সময় নেয়।
  • এর বহু উপগ্রহ রয়েছে। বর্তমানে ৯০টিরও বেশি উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে, যদিও আগে ১৬টি উপগ্রহের কথা বলা হতো।
  • বৃহস্পতির চারদিকে ক্ষীণ ও সরু বলয় রয়েছে, যদিও তা শনির মতো স্পষ্ট নয়।
  • এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো গ্রেট রেড স্পট। এটি একটি বিশাল ঝড়, যা বহু শতাব্দী ধরে বিদ্যমান।
  • বৃহস্পতির ভর অত্যন্ত বেশি হওয়ায় এর মহাকর্ষ বল খুব শক্তিশালী। এটি আশেপাশের গ্রহাণু ও ধূমকেতুকে নিজের দিকে আকর্ষণ করতে পারে।
  • বৃহস্পতি প্রধানত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা গঠিত। তাই একে গ্যাসীয় দৈত্য গ্রহ বলা হয়।
  • এর বাইরের মেঘমালা অঞ্চলে গ্যাসীয় মিথেন ও অ্যামোনিয়া উপস্থিত রয়েছে। অ্যামোনিয়া অনেক সময় স্ফটিক আকারেও থাকে।
  • বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে রঙিন মেঘের ব্যান্ড দেখা যায়, যা এর দ্রুত আবর্তন ও শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহের কারণে সৃষ্টি হয়েছে।

১৯৯৪ সালে বিখ্যাত ধূমকেতু শুমেকার-লেভি ৯ (Shoemaker-Levy 9) বৃহস্পতি গ্রহে আছড়ে পড়েছিল। এই ধূমকেতুটি ২১টি টুকরোতে ভেঙে বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে, এবং সেগুলো বিশাল আকারের ধ্বংসাত্মক প্রভাব তৈরি করেছিল। এটি প্রথমবারের মতো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল যে, একটি ধূমকেতু গ্রহের সাথে সংঘর্ষ করছে।

Saturn (শনি গ্রহ)

  • বৃহস্পতির পরে অবস্থিত গ্রহ হলো শনি। দূর থেকে এটি হালকা হলুদাভ বর্ণের দেখায়।
  • সৌরজগতে শনিকে অনন্য করে তুলেছে এর তিনটি প্রধান সুন্দর বলয় বা রিং। এই বলয়গুলো বরফ ও শিলাখণ্ড দিয়ে গঠিত।
  • সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে শনির প্রায় ২৯ বছর ৫ মাস সময় লাগে। অর্থাৎ শনির এক বছর পৃথিবীর প্রায় ৩০ বছরের সমান।
  • শনি নিজের অক্ষে দ্রুত আবর্তন করে। একবার ঘূর্ণন সম্পূর্ণ করতে প্রায় ১০ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সময় নেয়।
  • শনির বহু উপগ্রহ রয়েছে। আগে ১৮টি উপগ্রহের কথা বলা হতো, তবে বর্তমানে ৮০টিরও বেশি উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে।
  • শনি সকল গ্রহের মধ্যে সবচেয়ে কম ঘনত্বযুক্ত। এর ঘনত্ব জলের থেকেও কম।
  • আকার, ভর ও গঠনের দিক থেকে শনি বৃহস্পতির সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ।
  • শনি প্রধানত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা গঠিত, তাই একে গ্যাসীয় দৈত্য গ্রহ বলা হয়।
  • তবে বৃহস্পতির তুলনায় শনি অপেক্ষাকৃত শীতল।
  • এর বলয় ও বিশাল আকারের জন্য শনি সৌরজগতের অন্যতম আকর্ষণীয় ও সুন্দর গ্রহ হিসেবে পরিচিত।

Uranus (ইউরেনাস গ্রহ)

  • ইউরেনাস ছিল প্রথম গ্রহ যা দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে আবিষ্কৃত হয়। ১৭৮১ সালে জ্যোতির্বিজ্ঞানী William Herschel এটি আবিষ্কার করেন।
  • ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলে প্রধানত হাইড্রোজেন ও মিথেন গ্যাস রয়েছে। মিথেনের উপস্থিতির কারণে গ্রহটি নীলাভ সবুজ রঙের দেখায়।
  • ইউরেনাস পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে আবর্তন করে, অর্থাৎ এর ঘূর্ণনের দিক কিছুটা অস্বাভাবিক।
  • ইউরেনাসের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এর অক্ষ অত্যন্ত কাত হয়ে থাকা। প্রায় ৯৮ ডিগ্রি কোণে হেলে থাকার কারণে এটি প্রায় পাশ ফিরে ঘোরে বলে মনে হয়।
  • এই অতিরিক্ত কৌণিক ঝোঁকের কারণে ইউরেনাস সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় যেন গড়িয়ে চলেছে এমন দেখায়।
  • সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে ইউরেনাসের প্রায় ৮৪ বছর সময় লাগে। অর্থাৎ এর এক বছর পৃথিবীর ৮৪ বছরের সমান।
  • নিজের অক্ষে একবার আবর্তন সম্পূর্ণ করতে প্রায় ১৭ ঘণ্টা ১৪ মিনিট সময় নেয়।
  • ইউরেনাসের বহু উপগ্রহ রয়েছে। আগে ১৭টি উপগ্রহের কথা উল্লেখ করা হতো, তবে বর্তমানে ২৫টিরও বেশি উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে।
  • ইউরেনাসের চারদিকে ক্ষীণ বলয়ও রয়েছে, যদিও তা শনির মতো স্পষ্ট নয়।
  • অতিরিক্ত কৌণিক ঝোঁক ও নীলাভ রঙের জন্য ইউরেনাস সৌরজগতের অন্যতম ব্যতিক্রমী গ্রহ হিসেবে পরিচিত।

Neptune (নেপচুন গ্রহ)

  • নেপচুন সৌরজগতের অষ্টম ও সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরের প্রধান গ্রহ।
  • সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে নেপচুনের প্রায় ১৬৪ বছর সময় লাগে। অর্থাৎ এর এক বছর পৃথিবীর ১৬৪ বছরের সমান।
  • নেপচুন নিজের অক্ষে খুব দ্রুত আবর্তন করে। একবার ঘূর্ণন সম্পূর্ণ করতে প্রায় ১৬ ঘণ্টা ৭ মিনিট সময় নেয়।
  • নেপচুনের ৮টি প্রধান উপগ্রহের কথা আগে উল্লেখ করা হতো, তবে বর্তমানে ১৪টি উপগ্রহ আবিষ্কৃত হয়েছে।
  • এর সবচেয়ে বড় উপগ্রহ হলো ট্রাইটন, যা বিপরীতমুখী কক্ষপথে পরিক্রমণ করে।
  • নেপচুনের বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও মিথেন গ্যাস রয়েছে। মিথেনের উপস্থিতির কারণে এটি গাঢ় নীল বর্ণের দেখায়।
  • নেপচুনে অত্যন্ত প্রবল বায়ুপ্রবাহ দেখা যায়, যা সৌরজগতের দ্রুততম বায়ুপ্রবাহগুলোর একটি।
  • অতীতে এর পৃষ্ঠে গ্রেট ডার্ক স্পট নামে এক বিশাল ঝড় লক্ষ্য করা গিয়েছিল।
  • নেপচুনের চারদিকে ক্ষীণ বলয় রয়েছে, যদিও তা খুব স্পষ্ট নয়।
  • সূর্য থেকে দূরবর্তী অবস্থান ও গভীর নীল বর্ণের জন্য নেপচুন সৌরজগতের এক রহস্যময় ও শীতল গ্রহ হিসেবে পরিচিত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top